১১ তম অধ্যায় : মদীনায় ইসলামের গোড়া পত্তন

 

ইসলাম–পূর্ব যুগে মদীনার অবস্থা

প্রাক–ইসলামিক ইয়াসরিব (মদীনা)  পারস্পরিক দ্বন্দ–কলহ ও লড়াইয়ে জর্জরিত হয়ে পড়েছিল। দীর্ঘ একশত বছর যাবৎ ইয়াসরিবের গোত্রসমূহ এবং ইহুদী সম্প্রদায়ের মধ্যে দ্বন্দ–সংঘাত চলে আসছিল। শক্তিশালী নেতৃত্বের অভাবে ইয়াসরিবের আওস ও খাযরাজ এ দুই প্রধান গোত্রকে প্রায় সময়ই অন্যান্য যুদ্ধবাজ গোত্রের কাছে বিপর্যস্ত হতে হতো। বিশেষ করে বু’আত যুদ্ধের পর থেকে একের পর এক সংঘটিত হত্যাকান্ড, উদ্ভূত রক্তপণের দাবী নিয়ে মতদ্বৈধতা, ইত্যাদি বিষয়ে গোত্রে গোত্রে যে বিরোধ চলছিল তার সঠিক সমাধান প্রচলিত নিয়মে অকার্যকর হয়ে পড়েছিল।

এহেন দুঃসহ পরিস্থিতিতে তারা এসব বিরোধের একজন ন্যায়নিষ্ঠ মীমাংসাকারী হিসেবে নবী করীম (সাঃ)–কে নিজেদের কাছে পাওয়ার তীব্র আগ্রহবোধ করছিলো। তাই তাঁর মদীনা আগমন ইয়াসরিববাসীর জন্য জন্য ছিল এক বিরাট আশীর্বাদস্বরূপ।

ইয়াসরিববাসীর মন–মানসিকতা অনুধাবন

নবী করীম (সাঃ) ইয়াসরিব তথা মদীনাবাসীর অব্যাহত গোত্রীয় কোন্দল ও অরাজক পরিস্থিতিতে সেখানকার সাধারণ লোকজনের মন–মানসিকতা অনুধাবন করতে পারলেন। তাঁর  বুঝতে বেশী দেরী হলো না যে, তারা শান্তিপ্রিয় মানুষ। প্রতিহিংসামূলক যুদ্ধ–কলহ, দ্বন্দ–বিবাদ তাদের জীবনকে অশান্তিময় করে তুলেছে। তারা এসব থেকে মুক্তি পেতে চায়।

তিনি উপলব্ধী করলেন, পার্থিব লোভ–লালসা ও যেনতেন প্রকারে সম্পদ আহরণের প্রতিযোগিতা মানব জীবনের এক ব্যাধি। তা থেকে বেরিয়ে আসতে পারলে শান্তির আশা করা যায়। মানবজাতির কল্যাণার্থে প্রেরিত নবীজী (সাঃ) আগমণ কোন সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা, ধন–সম্পদ আহরণ বা ক্ষমতা দখলের উদ্দেশ্যে ছিল না। তিনি যা চেয়েছিলেন তা হলো:

  • মহান আল্লাহর আনুগত্যশীল দ্বীন ইসলামের পথে মানবজাতিকে আহ্বান জানানো।
  • বাড়াবাড়িমুক্ত একটি মধ্যমপন্থী জীবন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা।
  • যেহেতু ইসলাম শান্তির ধর্ম এবং সহজ সরল জীবন ব্যবস্থার পথিকৃৎ, সেহেতু ইসলামের প্রচার ও প্রসারের মাধ্যমে মানবজাতির ইহলৌকিক ও পারলৌকিক কল্যাণ ও শান্তি অর্জন।

 

নবী করীম (সাঃ) এর রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্রনায়কোচিত পদক্ষেপ

নবীজী (সাঃ) শুধু একজন নবী ও রসূল কিংবা ধর্মগুরুই ছিলেন না তিনি ছিলেন একটি আধ্যাত্মিক সম্রাজের প্রতিষ্ঠাতা – অসাম্প্রদায়িক চেতনার ভিত্তিতে একটি আধুনিক রাষ্ট্রের জনক। তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্রনৈতিক চিন্তা–চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে তাঁর প্রণীত মদীনা সনদে। সকল ধর্ম, গোত্র ও বর্ণের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান তাঁর প্রণীত এ সনদকে সর্বকালের উজ্জ্বল দৃষ্টান্তরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছে। চৌদ্দ শত বছর পূর্বে মদীনায় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়, গোত্র ও জনগোষ্ঠীকে সাথে নিয়ে ’মদীনা সনদ’ এর আওতায় যে বহুমাত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় ঐক্য চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল তা বিশ্ব ইতিহাসে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অমূল্য দলিল ও পথিকৃৎ হিসেবে চির ভাস্বর হয়ে থাকবে।

 

”মদীনা সনদ” প্রণয়ন ও মদীনা রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা

নবী করীম (সাঃ) ইয়াসরিব তথা মদীনাবাসীর অব্যাহত গোত্রীয় কোন্দল ও অরাজক পরিস্থিতিতে অনুধাবন করতে পারলেন যে, সর্বপ্রথম তাদের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহঅবস্থানের নীতির ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যেহেতু মদীনার অধিকাংশ গোত্র নবীজী (সাঃ) এর নেতৃত্বের উপর আস্থাশীল ছিল, তাই তিনি তাদের আটটি গোত্রের প্রধানদের সাথে পরামর্শ সভায় মিলিত হন এবং একটি রাষ্ট্রীয় কাঠামো গঠনের লক্ষ্যে সর্বসম্মতভাবে “মদীনা সনদ” নামে একটি সংবিধান রচনা করেন। এ সনদে জাতি–ধর্ম–গোত্র–বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার, দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহ স্বীকৃতি পেলো।

এ সনদে সংযুক্ত বিশেষ বিশেষ ধারাগুলো তাই প্রমাণ করে:

  • অন্তর্ভুক্তি রাষ্ট্র কাঠামোর প্রবর্তন: মদীনার সব গোত্রের লোকজন, ইহুদী ও অন্যান্য ‘আহলে কিতাব’ জনগোষ্ঠী এবং মক্কা থেকে আগত মুসলিম মুহাজির ও মদীনার নব্য মুসলমানগণসহ সকলের সমন্বয়ে ও সমর্থনে একটি  রাষ্ট্রীয় কাঠামো গঠিত হলো। সবাই এ মদীনা রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে গণ্য হলো।
  • নিরাপত্তা ও সুরক্ষার অধিকার: ধর্মীয় বিশ্বাস ও গোত্রীয় পরিচিতি নির্বিশেষে মদীনার সকল নাগরিকের জান–মাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা পাওয়ার সমানাধিকার নিশ্চিত করা হবে।
  • ধর্মীয় স্বাধীনতা: ভয়–ভীতি ও নির্যাতন–নিপীড়ন ব্যতিরেকে সকল নাগরিকের নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিত্তিতে আচার–উপাসনা পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা। প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় নিজ নিজ ধর্মীয় বিধি-বিধান অনুযায়ী নিজেদের বিষয়গুলো পরিচালনা করার স্বাধীনতা ভোগ করবে।
  • একতা ও সহযোগিতা: মদীনার বিভিন্ন গোত্র ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক একতা ও সহযোগিতা বজায় রাখার ব্যাপারে সনদে সবিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।  প্রয়োজনের সময়ে ও বিরোধ নিরসনে পারস্পরিক সমর্থন ও সহায়তাকে উৎসাহিত করা হয়েছে।
  • বিচারিক ব্যবস্থা: একটি সালিশ–নিষ্পত্তির ব্যবস্থার আওতায় সকল দ্বন্দ ও বিরোধ নিরসন করা হবে। নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এ সালিশী ব্যবস্থার প্রধান বিচারক নিযুক্ত হবেন এবং ন্যায়নীতি ও নিরপেক্ষতার স্বার্থে তাঁর সিদ্ধান্ত সবাইকে মানতে হবে।
  • বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে প্রতিরক্ষা: বহিঃশত্রুর আক্রমণ ও হুমকি মোকাবেলায় একটি যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হবে যাতে মদীনাবাসী ঐক্যবদ্ধ ও সম্মিলিতভাবে যে কোন আক্রমণ প্রতিহত করতে পারে।
  • বংশানুক্রম প্রতিহিংসা ও রক্তপাতের ধারার অবসান: গোত্রে গোত্রে বিদ্যমান বংশ–পরম্পরায় প্রতিহিংসার অব্যাহত রক্তপাতের ধারা জন–জীবনকে বিপর্যস্ত করে রেখেছে। এর অবসানকল্পে ও সার্বিক শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে পারস্পরিক আলাপ-আলোচনার দ্বারা যেকোন বিরোধ নিষ্পত্তি করতে হবে এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমঝোতার মাধ্যমে সামজিক শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
  • আর্থ-সামাজিক সুবিচার: দরিদ্র ও অভাবী মানুষের সহায়তায় ও সম্পদের ন্যায়ানুগ বন্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।
  • বিশ্বাসঘাতকতা ও অন্তর্ঘাতমূলক ষড়যন্ত্র নিষিদ্ধ: এ সনদে সকল পক্ষকে বিশ্বাসঘাতকতা ও অন্তর্ঘাতমূলক ষড়যন্ত্র ও কর্মকান্ডে জড়িত হওয়া সুস্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
  • গোত্রীয় আনুগত্য ও পরিচিতির স্বীকৃতি: এ সনদে গোত্রসমূহের পারস্পরিক ঐক্যকে উৎসাহিত করা হলেও গোত্রীয় আনুগত্য ও পরিচিতি রক্ষার প্রয়োজনীয়তা স্বীকৃত হয়েছে। নিজ নিজ গোত্রের স্বকীয়তা ও পরিচিতি সংরক্ষণ করে একটি বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠাই এর লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে।
  • চুক্তির বাধ্যবাধকতা: মদীনা সনদে স্বাক্ষরকারী সকল অভিবাসী ও স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়, ইহুদী সম্প্রদায় এবং অন্যান্য গোত্রসমূহ চুক্তির ধারাসমূহ পালনে বাধ্য থাকবে। এ সনদ মদীনা রাষ্ট্র পরিচালনার সংবিধান হিসেবে বিবেচিত হবে।

 

মুহাজির আনসারদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব সম্প্রীতির বন্ধন

মদীনায় আগমণের পর প্রথম পর্যায়ে নবী করীম (সাঃ) মক্কা থেকে আগত মুহাজির (অভিবাসী) মুসলমানদের মধ্যে এক অপরের সাথে আপন ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সৃষ্টি করে দেন। তারা তাদের পছন্দমত একজন অন্যজনকে নিজ ভ্রাতার সম মর্যাদায় বরণ করে নেন এবং নিজেদের অর্থ–সম্পদের ভাগীদার করেন।

দ্বিতীয় পর্যায়ে তিনি মুহাজির ও মদীনার আনসারদের (সাহয্যকারী মুসলমানদের) মধ্যে একইভাবে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করে দেন। মদীনাবাসীগণ মক্কা থেকে আগত মুসলমান মুহাজিরগণকে আপন ভাইয়ের মর্যাদা দিয়ে নিজেদের মধ্যে বরণ করে নেন, এমন কি তাঁদেরকে নিজ সম্পত্তির ভাগীদারও করেন।

সম্প্রীতির এক অনন্য নজীর স্থাপন

আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের প্রতি  আনুগত্য ও ভালোবাসায় সিক্ত মদীনার আনসারগণ মক্কার মুহাজির ভাইদের সাথে শুধু তাদের সম্পদের ভাগ–বাটোয়রাই করেননি তারা একে অপরের সুখ–দুঃখের সাথী ও ভাগীদার হয়ে ভ্রাতৃসুলভ সম্প্রীতির এক অনন্য নজীর স্থাপন করেছিলেন।

এর ফলে মদীনার বুকে এক ঐক্যবদ্ধ মুসলিম উম্মাহর সৃষ্টি হয়। ইসলামের প্রতি তাঁদের অপরিমেয় অবদানের জন্য তাঁরা মহান আল্লাহর তরফ থেকে “আনসার” (সাহায্যকারী) উপাধি লাভ করেন। তাদের এ অবদান এবং ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্ বলেন:

وَأَلَّفَ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ ۚ لَوْ أَنفَقْتَ مَا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا مَّا أَلَّفْتَ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ وَلَـٰكِنَّ اللَّهَ أَلَّفَ بَيْنَهُمْ ۚ إِنَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌ۝

”আর (আল্লাহ্) প্রীতি সঞ্চার করেছেন তাদের অন্তরে। যমীনের বুকে যা কিছু রয়েছে, যদি তুমি তার সব কিছু ব্যয় করে ফেলতে, তাদের মনে প্রীতি সঞ্চার করতে পারতে না। কিন্তু আল্লাহ্ তাদের মনে প্রীতি সঞ্চার করেছেন। নিঃসন্দেহে তিনি পরাক্রমশালী, সুকৌশলী।” (সূরা আনফাল, ৮:৬৩)

 

মুহাজির মুসলমানগণের পুনর্বাসন

মক্কা থেকে আগত মুহাজির মুসলমানগণ বিভিন্নভাবে মদীনায় স্থায়ীভাবে পুনর্বাসিত হন। পেশাগতভাবে মক্কা থেকে আগত মুহজিরগণ ছিলেন ব্যবসায়ী আর মদীনাবাসীরা ছিলেন কৃষিজীবি। এতে মুহাজিরগণের পুনর্বাসনে কিছুটা সমস্যা হয়েছিল।

  • তবে যারা কিছুটা ধন–সম্পদ সাথে করে আনতে পেরেছিলেন এবং ব্যবসা–বাণিজ্যে অভিজ্ঞ ছিলেন তারা মদীনাতে ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন এবং প্রচুর সম্পদের অধিকারী হন।
  • কেহ কেহ জমি বর্গা নিয়ে কৃষিকাজে বিনিয়োগ করেন এবং এর দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করতে শুরু করেন।
  • আবার যারা বিত্তহীন ছিলেন তারা অভাব–অনটনের মধ্যে দিনাতিপাত করলেও আত্ম–মর্যাদাসম্পন্ন হওয়ার কারণে কায়িক পরিশ্রম করে দিন গুজরান করছিলেন।
  • তাদের মধ্যে আরও একটি শ্রেণী ছিল যারা একেবারে নিঃস্ব ছিলেন এবং কোন আশ্রয় না থাকায় তারা মসজিদে নববীতে রাত্রি যাপন করতেন। তাদেরকে বলা হতো “আসহাবে সুফফা”
  • বিশিষ্ট সাহাবীগণের মধ্যে হযরত আবু বকর (রাঃ), হযরত ওমর (রাঃ), হযরত আলী (রাঃ) প্রমুখ কৃষি কাজে নিয়োজিত হলেন। হযরত ওসমান (রাঃ), হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রাঃ) প্রমুখ ব্যবসায়ে নিযুক্ত হয়েছিলেন।

 

এভাবে তাঁরা সবাই বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থেকে দ্বীনের খেদমত করে গেছেন। এভাবে মদীনায় আগত মুসলমানগণ এক নিরাপত্তা বলয়ে প্রবেশ করেন।

এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ্ বলেন:

وَاذْكُرُوا إِذْ أَنتُمْ قَلِيلٌ مُّسْتَضْعَفُونَ فِي الْأَرْضِ تَخَافُونَ أَن يَتَخَطَّفَكُمُ النَّاسُ فَآوَاكُمْ وَأَيَّدَكُم بِنَصْرِهِ وَرَزَقَكُم مِّنَ الطَّيِّبَاتِ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ۝

”আর স্মরণ কর, যখন তোমরা ছিলে অল্প, পরাজিত অবস্থায় পড়েছিলে দেশে; ভীত–সস্ত্রস্ত্র ছিলে যে, তোমাদের না অন্যেরা ছোঁ মেরে নিয়ে যায়। অতঃপর তিনি তোমাদিগকে আশ্রয়ের ঠিকানা দিয়েছেন, স্বীয় সাহায্যের দ্বারা তোমাদিগকে শক্তি দান করেছেন এবং পরিচ্ছন্ন জীবিকা দিয়েছেন যাতে তোমরা শুকরিয়া আদায় কর।” (সূরা আনফাল, ৮:২৬)

অধ্যায়সমূহ